বার্গেন থেকে লিসবন: ইতিহাস, সৌন্দর্য, আর রাতের গল্প (পর্ব- ০১) Get link Facebook X Pinterest Email Other Apps - November 05, 2025 http://dlvr.it/TP4nKh Read more
I got over 100 reactions on my posts last week! Thanks everyone for your support! 🎉 Get link Facebook X Pinterest Email Other Apps - November 04, 2025 http://dlvr.it/TP4C5t Read more
পর্তুগাল(লিসবনঃ ২য় পর্ব) Get link Facebook X Pinterest Email Other Apps - November 04, 2025 http://dlvr.it/TP43xt Read more
#ধারাবাহিক_উপন্যাস_নিয়তি #পঞ্চদশ পর্ব: সাদাব বারবার দেখতে লাগলেন সেই সিসিটিভি ফুটেজ…ভাবলো আচ্ছা, হাসানের মতো বোকা বোকা দেখতে একটা ছেলের প্রেমে এই সব মেয়েরা কেন পড়ে? তার ২৯ বছরের জীবনে তো কখনো প্রেম এলো না। সে দেখতে বরাবরই ভালো। লেখাপড়া, ক্যারিয়ার সব মিলিয়ে এই হাসানের চেয়ে তার ডিমান্ড মেয়ে মহলে কম হবার তো কথা নয়, তবু তাকে কোনো মেয়ে প্রেমিক হিসেবে আমলেই নিল না কেন? ভাবতেই ভীষণ হাসি পেল সাদাবের। সাদাব ভাবছিলেন হাসানের অন্তর্ধানের পর যখন পুলিশ তাদের বাসায় যায়, তখন কোনো আলামত কেন পায়নি। খুব গুছিয়ে চিন্তা করতে লাগলেন। হাসানের অন্তর্ধানের পরে পুলিশ এলো আর আলমারির দরজা খুলে দেখল। দরজা জোর করে ভাঙা হয়নি; সে অর্ধখোলা অবস্থাতেই ছিল। কোনো স্ক্রু-ড্রাইভারের ছাপ নেই, কোনো শক্ত-প্রবেশের চিহ্নও নেই। কিন্তু মেঝেতে আর্দ্র কফি-গুঁড়া ছড়ানো, ন্যাপথলিনের আঠালো চিহ্ন, আর টেপের চৌকস ছেঁড়া অংশগুলো মিলল। কাঠের ভেতরে ছোট ছোট পলিথিন কণা পাওয়া গেল—ফ্রিজার ব্যাগের অবশিষ্টাংশ। আর আলমারির নীচে পাতলা একটা ঢেউ-ছাপ—যেন ভ্যানের টায়ারের নিচে থেকে কোনো ভারী জিনিস ইনডেন্ট করেছে। সাদাব রিপোর্ট দেখে বললেন, “এখানে জোর করে ব্রেক ইন হয়নি—কেউ জানলা/দরজা অজান্তে খোলা রেখেছিল। যদি কেউ এসেও থাকে, সে বা তারা এসেছে, অনুমিতভাবে দরজা অর্ধখোলা পেয়েছে, ভেতরে ঢুকেই কাজ সেরে গেছে। তাই বাকি প্রমাণগুলো (টেপ-ছেঁড়া, পলিথিন কণা, কফি কণা) আরও স্পষ্টভাবে দেখা যাবে—কারণ প্রোফেশনালরা জোর করে লক ভাঙার ঝামেলা করেনি।” ফরেনসিক নোটে পরে যুক্ত হলো: অপ্রাকৃতভাবে অর্ধখোলা দরজা মানে • শত্রু-চিহ্ন অনুপস্থিত; ফলে অপারেটররা সরাসরি আলমারিতে ঢুকেছে। • ফলে তাদের গ্লাভস-অদলবদল, ব্যাগ-আচরণ ও টিপিক্যাল ট্রান্সপোর্ট-মার্কস (ফ্রিজার ব্যাগ রেসিডিউ) এখানেই থেকে গেছে। সাদাব হালকা করে বললেন, “হাসান দরজা লক করে গেলে, স্ক্রু-চিহ্ন থাকত—এখন দেখো, কেউ ঢুকেছে বেসরকারিভাবে; তারা সহজেই আলমারি থেকে প্যাকেট তুলে নিয়ে গিয়েছে। এই সামান্য তফাতটা পরবর্তী তদন্তে বড় কৌতুক তৈরি করবে—‘জোর করে ঢুকেছে’ বনাম ‘খোলা রাখা ছিল’—এটাই ওদের কাহিনী বদলে দেবে।” ঢাকার উত্তরা, রাত ১টা ২০। রিনি বাবার ফোন শেষ করে স্তব্ধ। “ডিবির কেসের খবর ও জানে কীভাবে?” মাথা ঘুরতে থাকে রিনির। ছোটবেলা থেকেই মা না থাকায় নিজের মধ্যে খুব কনফিডেন্সের অভাব তার। সে ভীষণ মেধাবী ছিল। বাবার আগ্রহে অনলাইনে ডাটা এনক্রিপশন, অ্যানালাইসিস সহ বেশ কিছু কোর্স করেছে। ইদানীং টুকটাক ফ্রিল্যান্সিংও শুরু করেছিল সে। এর মধ্যে হাসানের সাথে বিয়ে তার দুনিয়া বদলে দিল। বাবার কথায় তার কেমন যেন মন খারাপ হলো। ফোন তুলল সাদাবকে, এক রিং-এ ধরলেন সাদাব, মনে হলো যেন তার ফোনের অপেক্ষায়ই ছিলেন। “হ্যালো সাদাব স্যার।” “রিনি, এত রাতে তুমি?” “সরি আপনি মনে হয় ঘুমাচ্ছিলেন-” “আরে না, আমি এখনো অফিসে, বলো।” “আচ্ছা হাসান ভাই আর পুলক সেনের কেস নাকি প্রায় ক্লোজ হয়ে এসেছে।” “কে বলল তোমায়? কই না তো, আমি এখনো কাজ করছি।” “না, মানে বাবা বলছিলেন…” অন্যমনস্ক শোনাচ্ছিল রিনির গলা। কৌতুহলী সাদাব জিজ্ঞেস করলেন – “কী বলল তোমার বাবা?” রিনি ফোন কানে ধরে এক মুহূর্ত চুপ করে ছিল। ঘরের টিউবলাইটে খাটের পাশে রাখা বাবা-মা সহ তার ছোটবেলার ছবির পুরনো ফ্রেম—হাসিমুখ, তার কাঁধে হাত, কী নিশ্চিন্ত নির্ভরতার। সেই মুখটাই আজ অচেনা লাগে। “স্যার,” রিনি আস্তে বলল, “বাবা বলল—ডিবির কেস খুব তাড়াতাড়ি পুলিশের কাছে যাবে। পুলক ‘উগ্রবাদীদের’ হাতে… আর হাসান ‘স্বেচ্ছায় নিখোঁজ’।” রিনি অনেকক্ষণ চুপ করে বসে রইল। কী মনে করে অনেকদিন পর তার জিমেইল খুলল, সেখান থেকে মাইক্রো ওয়ার্কারের ওয়েবসাইট যেখানে সে কাজ করত। কিছুক্ষণ পর কম্পিউটার খোলা রেখেই ঘুমিয়ে পড়ল রিনি। হঠাৎই পপ আপ করল ছোট্ট একটা নোটিফিকেশন। না ঘুমালে হয়তো জানতে পারত তার ল্যাপটপটা-ও ট্র্যাক করা হচ্ছে, আর সেটা একটা আননোন লোকেশন থেকে। পরদিন সকালে পত্রিকার প্রথম পাতার হেডলাইন “ধর্মীয় উগ্রবাদীদের হাতেই খুন হয়েছেন পুলক সেন”। সকালে ১০ টায় নিজের ফ্ল্যাটে বসে পত্রিকা পড়তে পড়তে ভ্রু কোঁচকালেন সাদাব। সে এখনো রিপোর্ট জমা দেননি। এর মাঝে কী করে এমন খবর বের হলো। পুরো সংবাদটি পড়লেন। স্পেসিফিকভাবে কারো নাম উল্লেখ না করে, পুলিশের বরাতে জানানো হয়েছে। হেডকোয়ার্টারে ফোন করে আইজি-র অ্যাপয়েন্টমেন্ট চাইলেন, এর মাঝে কল এলো জয়েন্ট কমিশনার (ডিবি), ডিএমপি-র। “সাদাব, পুলক সেনের কেসটা, ডিবি থেকে পুলিশের কাছে চলে গেছে। তুমি আপাতত অন্য কেইসগুলো নিয়ে আগাও।” ‘কেন’ জিজ্ঞেস করার আগেই তিনি বললেন, “আর শোনো, ঐ যে হাসান নামে ঢাকা ইউনিভার্সিটির একটা ছেলের নিখোঁজের একটা কেইসও ছিল বোধহয় তোমার হাতে, এটা নিয়ে আপাতত মাথা ঘামানোর কিছু নাই। ছেলেটির পরিবার থেকে জানানো হয়েছে, ছেলেটি নাকি বাসা থেকে রাগ করে চলে গিয়েছিল, দেশের বাইরে চলে গেছে। ওর পরিবার নিশ্চিত করে কেইস তুলে নিয়েছে। তুমি আপাতত ফ্রি সাদাব। গুড জব। টেইক সাম রেস্ট।” আর কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে কল কেটে দিলেন জয়েন্ট কমিশনার। সাদাব কাল রাতে রিনির ফোনের কথা ভাবলেন। রিনি প্রায় একই কথা বলছিল—তার মানে সব গোড়া এক জায়গাতেই। সাদাব নিশ্চিত হলেন, তালিব রহমান তার প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষমতা ব্যবহার করে পুরো তদন্তকে ধামাচাপা দিয়েছেন। কিন্তু তার মাথার ভেতর তখনো ঘুরছে T.R.-এর এনক্রিপ্টেড নোট এবং হাসানের রেখে যাওয়া ‘প্যাটার্ন’ খোঁজার বার্তা। তিনি জানেন, তার প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষমতা শেষ। এই মুহূর্তে তার একটাই পথ খোলা—ছায়া থেকে কাজ করা। Get link Facebook X Pinterest Email Other Apps - November 03, 2025 http://dlvr.it/TP2tVB Read more
#রম্যগল্প #বাচ্চাকাহিনী আমার ছোটবেলার বন্ধুরা খুব স্মার্ট ছিল। আমার মনে আছে আমরা এক কোচিং এ পড়তাম, সেখানে একজন স্যার ছিলেন এসেই বলতেন, “তোমরা আমার ছেলে মেয়ের মতো।” হঠাৎ, পেছন থেকে আমার এক ছোটবেলার বন্ধু সাব্বির বলতেছে, “স্যার তাহলে এই মাস থেকে আমি আর বেতন দিব না। ছেলে মেয়ের কাছ থেকে তো আপনি আর বেতন নিতে পারবেন না, তাই না?” সেই স্যার হাতের চকটি সোজা ছুড়ে মেরেছিলেন সাব্বির বরাবর আর আমরা সবাই একসাথে হেসে উঠেছি। আমাদের ছোটবেলার কথা মনে করতে করতে আমার মেয়ের কথা মনে এলো। একদিন সকালে ঠিক ৭ টায় ঘুম থেকে উঠে আমার ৭ বছরের মেয়ে খুব সিরিয়াস ভঙিতে ঘোষণা দিল— “আজ থেকে আমার নাম লেদী!” আমি তো একদম চমকে গেলাম। হাসব, না কাঁদব—কিছুই বুঝলাম না। কারণ তার নাম ফালাক্ক। ডাকনাম নাবিহা (নাবা)। অনেক শখ করে আকীক করে এই নাম রেখেছি। তাকে জিজ্ঞেস করলাম, “লেদী মানে কী?” সে একদম শান্তভাবে বললো— “লেদী (Ledig) মানে ফ্রি। আজ আমি কোনো কাজ করছি না, তাই আমার নাম আজ লেদী।” আমি ভাবলাম— শিশুর যুক্তি মহাবিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী যুক্তি! কোথায় ফালাক আর কোথায় লেদী! আরও মজার ব্যাপার— কয়েকদিন পর নতুন ঘোষণা— “আজ থেকে আমার নাম বেস্তেম্মা (bestemme)!” নরওয়েজিয়ান ভাষায় যার মানে—ডিসাইড করা আজ সে সব নিজেই ঠিক করবে তারপর থেকে প্রায়ই… একদিন অন্য নাম,আরেকদিন নতুন নাম। শেষ পর্যন্ত কোন নাম থাকে— আল্লাহ মালুম! আমার এক বান্ধবীর বাড়িতে বেড়াতে গেছি। গিয়ে দেখি আমার বান্ধবী ওর ছেলে কে ভাত খাওয়াচ্ছে আর সে বাচ্চা ইউটিউব দেখছে। এই সময় ঘুম থেকে উঠে বান্ধবীর শাশুড়ি তার নাতি কে বলছে, “সারাদিন এইসব কি ইউটিউব দেখছ! ইউটিউব না দেখে খেতে চাও না? আমাদের সময় এগুলা ছিল না— আমরা কি না খেয়ে থাকতাম নাকি?” খাবারের প্লেট থেকে মুখ না তুলেই বাচ্চাটা বলছে, “এই জন্য তো তুমি বুড়ো হয়ে গেছ!” মোবাইলের ঘটনায় মনে পড়লো— আমার আরেক ভাগ্নি কে তার বাবা মানে আমার দুলাভাই বলছে, “এত মোবাইল দেখিস না, মাথা খারাপ হয়ে যাবে।” ভাগ্নি তার বাবা কে বলছে, “তুমি তো মোবাইল বেশি দেখ না, তোমার মাথা খারাপ হলো কিভাবে?” আমার মেয়ের ৫ বছর বয়সে আমরা নরওয়ে চলে আসি। সে বাংলার চেয়ে নরওয়েজিয়ান বলতে বেশি কম্ফোর্টেবল, যার ফল হিসাবে সে বাংলার অদ্ভুত অদ্ভুত ব্যবহার করে। মরুভূমিকে সে বলে “মরুঘুমি”, আকাশে বিদ্যুৎ চমকালে বলে “বিদ্যুম চমকা।” প্রথম যেদিন সে নরওয়ে এসে বাইরে বেড়াতে এসেছে, বাইরে কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করার পর ভয় পেয়ে বলতেছে— “মা! এই দেশের মানুষগুলো কোথায় মা??” আমি যে শহরে থাকি তার পপুলেশন মাত্র ২.৮ লাখ। সো মানুষজন খুবই কম। কিন্তু এরপর দেশে বেড়াতে গিয়ে সে বলতেছে— “এখানে কি হয়েছে! সবাই কেন আমাদের বাসার সামনে?” সে বুঝতেই পারেনি— নরমালই ঢাকায় একটা রাস্তার সামনে হাজার হাজার মানুষ থাকে। আমার মেয়ের বান্ধবী আন্না ঘোষণা করেছে এই ভার্শানের পৃথিবীটা তার বেশি ভালো লাগছে না, বোরিং লাগছে। তাই সে আরেকটু আপডেটেড ভার্শানের পৃথিবী চায়। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম কি ধরনের আপডেট সে চায়, সে বলতেছে সে চায় তার পেট (বিড়াল) তাকে কোলে নিয়ে ঘুরে বেড়াক, যেমনটা এখন সে তার বিড়াল কে নিয়ে ঘুরে বেড়ায়। যেহেতু সে বেশ ছোট বয়সে দেশের বাইরে চলে এসেছে, তাই বাংলাদেশের অনেক কিছুই সে ভুলে গেছে। তার মধ্যে একটা হলো রিকশা। এইবার দেশে গিয়ে সে মেশিন রিকশায় উঠেই কান্না শুরু করেছে— যেহেতু মেশিন রিকশা দমকা হাওয়ার বেগে চলে— “মা, এই গাড়িতে সিটবেল্ট নাই! মা হেলমেট নাই!” আমার ভাতিজি, ২ বছর বয়স, আমাদের গ্রামের বাড়িতে গিয়ে সারাক্ষণ বাইরে বাইরে ঘুরতে চায়। আমি তাকে অনেক কষ্টে বাসার ভেতরে ঢুকাতে রাজি করালাম, আমার সুন্দর নতুন বানানো দোতলা বাড়ি। সে আমাকে বলতেছে— “ফুপ্পি, এইটা আমার বাড়ি” আর পেছন দিকে ভাঙা একটা শনের ঘর দেখায় বলে— “ঐটা তোমার বাড়ি।” আশেপাশের সবাই ওর এই কাণ্ড দেখে হেসেই কুটিকুটি। তাকে রাতে জিজ্ঞেস করলাম, “রাতে দাঁত ব্রাশ করেছ?” সে বলে— “কালকেই না মাজলাম! আমার দাঁত রোজ ময়লা হয় না।” আমার বোনের ৪ বছর বয়সী মেয়ে তার ৭ মাস বয়সী ভাইকে ঘুম থেকে ডেকে তুলতেছে। ওর মা বলতেছে— “ডাকতেছ কেন? দেখছো না ঘুমাচ্ছে, চুপ করে বসে থাক।” আমার ভাগ্নি তার মাকে বলতেছে— “বাবু (মানে তার ভাই) উঠে গেলেই আমি চুপ করে বসে থাকব।” এই বাচ্চাটি বেশ শার্প, এখন বয়স ৭। সে লেফট হ্যান্ড। সো সে যখন খেতে বসে তার মা সবসময় খেয়াল করে সে ডান হাতে খাচ্ছে কিনা। তো একদিন তাকে ডাইনিং এ খাবার দিয়েছে আর ওর মা কিচেনে কিছু একটা করছিল। জিজ্ঞেস করল— “কোনটা দিয়ে খাচ্ছো?” সে উত্তর দিল— “মুখ দিয়ে মা।” তার মা যখন তাকে বলল— “তোমার মাথায় এত বুদ্ধি আসে কোথা থেকে?” সে বলতেছে— “মা, ডাউনলোড হয়ে আসে!” সে আমার সাথে বাইরে যাবে বলে রেডি হচ্ছে। আমি দেখলাম জামা পড়েছে উল্টো। আমি বললাম— “কি ব্যাপার টুকটুকি! ড্রেস কেন উল্টো পড়েছ?” সে বলতেছে— “না খালামনি, আমি উল্টো পড়িনি, ড্রেসটাই এমন ছিল। আমি শুধু ওর ইচ্ছা মত ঢুকে গেছি আর জোর জবরদস্তি করিনি।” আমি বললাম— “সে তো বুঝলাম, কিন্তু জামার হাতগুলো ভিজল কি করে?” সে বলতেছে— “আমার দোষ নাই তো, মা বলল হাত-মুখ ধুয়ে যেতে। হাতগুলো জামার ভেতরেই তো ছিল।” আমি পুরাই হতবাক তার বুদ্ধি দেখে। আমার মেয়ে Yellow বলতে পারতো না, বলতো Lelo। সো সে যখন Yellow এর বানান শিখলো, কোনভাবে তার মনে হয়েছে যা কিছু Y দিয়ে শুরু—তার উচ্চারণ হবে এল বা ল এর মতই। তার বাবা তাকে নিয়ে একটা Yo-Yo কিনে এনেছে, বক্সে নামের বানান লেখা YO-YO. দেখি সে এটাকে বলতেছে— “লো-লো।” তারপর সে যখন Orange বানান শিখলো (কালারের), টিচার যখন তাকে ফল হিসাবে Orange এর বানান শিখালো, সে খুবই অবাক— আমাকে বাসায় এসে বলতেছে— “মা জানো Orange যে ফ্রুটটা, সেটার স্পেলিংও একদম কালার Orange এর বানানের মতো!” আমার ভীষণ দুষ্টু কাজিন ফাইয়াজ কে তার দুষ্টুমিতে অতিষ্ঠ হয়ে টিচার জিজ্ঞেস করলো— “তুমি কেন স্কুলে আসো?” সে নির্দোষ মুখে উত্তর দিল— “মিস, দুষ্টুমি করতে বাসার সবাই এখন খুব চালাক— আর বেশি সুবিধা করতে পারিনা। তাছাড়া রোজ সকালে মা ও বলে— ‘যা, আমার মাথা খেয়ে এসেছ, এখন মিসদের টাও একটু খেয়ে আয়।’ তাই চলে আসি। আম্মুই দিয়ে যায়। Get link Facebook X Pinterest Email Other Apps - October 31, 2025 http://dlvr.it/TP0MYM Read more
বসন্তে বার্গেন, নরওয়ে Get link Facebook X Pinterest Email Other Apps - October 30, 2025 http://dlvr.it/TNyj0H Read more